Sunday, 6 January 2013

হায়রে চুল পড়া সমস্য


প্রতিদিন এক’শ টা চুল পড়া নাকি স্বাভাবিক। কিন্তু কে আর গুনে রাখে।
তবে এটা ঠিক চুল পড়ে, এটা আমরা বলে থাকি, সব বয়সের ছেলে মেয়ে এ কথা বলে থাকে।
কারন চুল পড়ে গেলে নিজের কাছে খারাপ লাগে।
এই চুল পড়া সমস্য থেকে বাচাঁর জন্য প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে কী কারনে আপনার চুল পড়ছে। কারন টা খুজে বের করে আগে সেই সমস্য সমাধান করতে হবে। তখন আপনার-আপনিই চুল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে।
নানা কারনে আমাদের মাথার চুল পড়ে থাকে। যেমন- চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন না হলে,অ্যানিমিয়া থাকলে, মানসিক স্ট্রেক-টেনশনে, চুলে খুশকি ,বড় কোন অসুখে ভূগলে।আর যে কোন কারনে চুল পড়োক না কেন কিছু নিয়ম মেনে চললেই সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়।

++নিন্মে কিছু নিয়ম দেওয়া হল--------

* সাপ্তাহে একদিন অন্তত ডিমের কুসুমের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ অলিব অয়েল মিশিয়ে পুরো চুলে লাগান। এক ঘন্টা পর চুল শ্যাম্পু করে নিন।

* নারিকেল তেলের সাথে দারুচিনি গুড়া করে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করলেও চুল পড়া বন্ধ হয়।

* ঘোমানোর আগে মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে হালকাভাবে চুল আচড়ে নেবেন।
এতে চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন হয়ে থাকে।

* আমলকি ও জবাফুল নারকেল তেলে ফুটিয়ে বোতলে ভরে রাখুন। শ্যাম্পু করার আগে ওই তেলে চুলের গোড়ায় ম্যাসেজ করেন।

* সবুজ সাকসবজি ফলমূল বেশি খান।

* বেশি করে প্রোটিনযুক্ত খাবার ও প্রচুর পানি পান করুন

আমার মনে হয় এই সামান্য কাজ করলেই আমরা চুল পড়া সমস্যা থেকে সমাধান পেতে পারি.........
আবার আসব অন্য কোন বিষয় নিয়ে ততক্ষন অপেক্ষা করুন। ভালথাকা হয় যেন সবার ।

ছেলেদের ত্বকের যত্ন



 একটা সময়ে সৌন্দর্য চর্চা ছিল শুধুই মেয়েদের অধিকারে। কিন্তু কালের পরিক্রমায় বদলে গেছে অনেক কিছুই। বর্তমানে সৌন্দর্য চর্চার বিষয়ে ছেলেরাও সমান সচেতন। আর তাই ভীড় বাড়ছে জেন্টস পার্লারগুলোতে। কেন নয়? সজীব আর প্রানবন্ত থাকতে ত্বকের প্রতি একটু বেশি যত্নবান তো হতেই হবে। ছেলেরা কীভাবে ত্বক সজীব রাখবেন, জেনে নিন কিছু টিপস-

ত্বকের যত্ন: এসময় ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। ত্বক সুন্দর রাখতে কেমিক্যালের চেয়ে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা ভালো। কেননা কেমিক্যাল ব্যবহারে ত্বকের কোমলতা ও উজ্জলতা কমে যেতে পারে। মুখ ও গলায় আলু, পাতিলেবুর রস, কচি শশার রস ব্যবহারে ভাল ফল পাওয়া যায়।

আলু পানিতে ধুয়ে পাতলা করে কেটে মুখ ও গলায় ১০ মিনিট ঘষতে হবে। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ত্বকের সজীবতা ফিরে আসবে।

পেপে, গাজর, শশা, কমলা, আপেল পেষ্ট করে স্ক্রাব তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। আর বাসায় এসব করতে না চান তাহলে জেন্টস পার্লার ও সেলুনে গিয়ে ত্বকের পরিচর্যা করাতে পারেন।

মাসে অন্তত দুইবার ফেসিয়াল করা উচিত। ফেসিয়াল করলে ত্বকের ব্লাক হেডস দূর হয়ে যায়। যারা সময়ের অভাবে অথবা অনভ্যস্ততার কারনে পার্লারে পরিচর্যা করতে পারেন না, তাদের জন্য ঘরে বসে ত্বকের পরিচর্যার দুটি সহজ পদ্ধতি-

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য: যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা দুই চামচ কাঠবাদাম বাটা এবং মুগ ডাল গুড়োর সাথে ১চা চামচ গোলাপ জল দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে মুখ ও গলায় মেখে ২০ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে আলতো ভাবে ঘষে ঘষে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দুইবার এভাবে ত্বকের পরিচর্যা করুন।

শুষ্ক ত্বকের জন্য: শুষ্ক ত্বকের জন্য দুই চা চামচ মুগ ডাল গুড়ো, সমপরিমান ময়দা , দুই চামচ আর্মন্ড ওয়েল, দুই চামচ প্রিপারমিন্ট ওয়েল সেই সাথে এক চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। মুখ ও গলায় মেখে ২০ মিনিট রাখুন। এবার ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে মশ্চারাইজার মাখুন।

নিয়মিত পরিচর্যায় ত্বক হয়ে উঠবে কোমল ও উজ্জল


ভেষজ উপায়ে ত্বক ও চুলের যত্ন



সব ধরনের ত্বকের জন্যই আছে ভেষজ পদ্ধতিতে রূপচর্চা। সুস্থ আর সুন্দর ত্বক কে না চায়। আর সুন্দর ত্বকের জন্য দরকার হয় আলাদা যত্নের। প্রত্যেক মানুষের ত্বকের ধরন আলাদা আর ত্বকের ভিন্নতার কারণে যত্নও নিতে হয় একটু ভিন্ন উপায়ে। যাঁদের ত্বক কিছুটা সংবেদনশীল, তাঁদের জন্য রাসায়নিক দ্রব্যাদি দিয়ে তৈরি প্রসাধনসামগ্রী ত্বক সহ্য করতে পারছে না। তাঁদের জন্য রয়েছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক গুণসমৃদ্ধ ও ভেষজ উপায়ে তৈরি রূপচর্চার নানা উপকরণ। চাইলে ঘরে বসে কিংবা পার্লারে গিয়েও আপনি ভেষজ উপায়ে রূপচর্চা করতে পারেন।

ত্বক সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকেঃ তৈলাক্ত, শুষ্ক ও সাধারণ। এই তিন ধরনের ত্বকের জন্য চাই তিন ধরনের রূপচর্চা।

ত্বক যখন তৈলাক্তঃ
যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদের বারবার মুখ ধুতে হবে। কেননা, পানি ত্বকের জন্য উপকারী। মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে শসার রস, মেথির গুঁড়া ও চালের গুঁড়া দিয়ে প্যাক তৈরি করে লাগানো যায়। নিয়ম করে সকালে আর বিকেলে প্যাক ব্যবহার করলে মুখের তৈলাক্ত ভাব কেটে যাবে। এতে ব্রণ হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়।

শুষ্ক ত্বকের জন্যঃ
যাঁদের ত্বক শুষ্ক, তাঁদের জন্য রয়েছে রূপচর্চার অন্য উপায়। কাঠবাদাম, সয়াবিন পাউডার ও দুধ দিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে দিনে অন্তত একবার মাখলে ত্বক অনেক মসৃণ হয়ে যায়। এতে শুষ্ক ভাবটা কমে যায়।

স্বাভাবিক ত্বকের বিশেষ যত্নঃ
অনেকে মনে করেন, যাঁদের স্বাভাবিক ত্বক, তাঁদের হয়তো রূপচর্চার দরকার নেই। বিষয়টি কিন্তু একদমই তেমন নয়। স্বাভাবিক ত্বকের জন্য রয়েছে বিশেষ যত্ন। আমলকী, সয়াবিনের গুঁড়া ও সামান্য একটু কাঁচা হলুদ আর মধু মিশিয়ে ঘরে প্যাক তৈরি করে লাগাতে পারেন।

ত্বক থাকুক তরুণঃ
ত্বকে বয়সের ছাপ যেন না পড়ে, সে জন্য তিল, পুদিনাপাতা, সয়াবিন পাউডার, কাঁচা হলুদ আর মধু দিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে নিয়ম করে সকালে মাখুন। এসব প্যাক ঘরে তৈরি করে ফ্রিজে রেখে অনায়াশেই কয়েক দিন ব্যবহার করতে পারেন।

চুলের যত্নঃ
শুধু নারকেলের তেল নয়, নারকেলের সঙ্গে তিলের তেল মিশিয়ে নিলে চুল ভালো থাকে। আমলকী, হরীতকী, বহেড়া, ভৃঙ্গরাজ আর মেথি একসঙ্গে মিশিয়ে পিষে পেস্ট করে চুলে মেখে রাখুন। এরপর কলাপাতায় চুল পেঁচিয়ে কিছু সময় রেখে শ্যাম্পু করলে চুল হবে ঝরঝরে। আলাদা করে কন্ডিশনার ব্যবহার না করে আমলকী সেদ্ধ করে পানি ছেঁকে ওই পানি দিয়েও কন্ডিশনারের কাজ করা যায়। এই ভেষজ উপকরণগুলো বাজারে কিনতে পাওয়া যায়।

শুধু প্যাক তৈরি করে ত্বকে আর চুলে মাখলেই হবে না; খাবারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। ত্বক সুন্দর রাখতে ভেতর থেকে ভালো থাকা প্রয়োজন। এ জন্য প্রচুর পানি আর ফল খেতে হবে। সকালে খালি পেটে থানকুনিপাতার রস কিংবা কাঁচা হলুদের রস খেলে পেট পরিষ্কার হয়, ত্বক ভালো থাকে।

নগরের বিভিন্ন পার্লার আজকাল ভেষজ বা হারবাল রূপচর্চার সেবা দিয়ে থাকে। ভেষজ রূপচর্চায় ফল একটু ধীরে পাওয়া যায়। তবে এটি সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত পদ্ধতি।


হারিয়ে যাওয়া পাসওয়ার্ড নিমিষেই উদ্ধার করুন সহজেই:




আমরা বিভিন্ন প্রয়োজনে নানা ধরনের ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করে থাকি। কিন্তু আমরা যদি ঐ সময় আইডি এবং পাসওয়ার্ড কোথাও সংরক্ষন করে না রাখি এবং পরবর্তীতে পাসওয়ার্ড ভুলেই তাহলে ঐ সব সাইটে আর লগইন করা সম্ভবপর হয় না। এ সব ক্ষেত্রে মনে হয় ইস, কোনভাবে যদি আবার পাসওয়ার্ডগুলি ফিরে পাওয়া যেত! হ্যা, আপনার মনের ইচ্ছা পূরণ করতে পারে মজিলা ফায়ারফক্স। ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই তাদের আইডি এবং পাসওয়ার্ড উভয়ই ফিরে পেতে পারেন। কিভাবে আপনি আপনার পাসওয়ার্ড ফিরে পেতে পারেন সেটি নিচে কয়েকটি ধাপে দেখানো হল। তো বন্ধুগণ নিচে বর্ণিত ধাপগুলি অনুসরণ করে ফিরিয়ে নিন আপনার হারিয়ে যাওয়া পাসওয়ার্ড।


১. মজিলা ফায়ারফক্সের Tools এ ক্লিক করুন

২. এরপর option এ ক্লিক করুন

৩. এবার বেশকিছু ট্যাব ওপেন হবে। এখান থেকে Security Tab এ ক্লিক করুন

৪. তারপর নিচের দিকে থাকা Saved Password এ ক্লিক করুন

৫. এরপর পাসওয়ার্ড দেখতে Show Password এ ক্লিক করুন।

৬. এবার ‍Are you sure you wish to show your password? এই লেখাটি আসবে। আপনি Yes এ ক্লিক করুন।

৭. তারপর ফায়ারফক্স আপনার বিভিন্ন সাইটের সকল সেভ করা পাসওয়ার্ড প্রদর্শন করবে।
 

ঘুমহীন পরদিন...


ঘুম। কর্মব্যস্ত সারা দিনের পর অপেক্ষার সেই নিঝুম শান্তি। নগরজীবনের নানা দুশ্চিন্তায় ব্যাঘাত ঘটে নিঝুমপুরের সেই শান্তির। নানা ঝামেলার কারণে চোখের পাতা এক করা হয় না হয়তো কারও কারও। তাই বলে যে পরদিন কর্মব্যস্ত নগর নির্দিষ্ট সময়ে জেগে উঠবে না, তা কিন্তু নয়। আর তার সঙ্গে তাল মেলাতে হবে আপনাকেও। ঘুমহীন সারা রাতের যে ছাপটুকু আপনার চেহারায় ফুটে ওঠে, একটু কৌশলে তাকে করে ফেলতে পারেন আড়াল।
এসিআই লিমিটেডের মানবসম্পদ নির্বাহী ফারহানা ফাবিন বলেন, ‘হাতে সময় থাকলে সকালে গোসল করতে পারলে অনেকখানি ক্লান্তি কমে যায়। এরপর ভালোভাবে সকালের নাশতা খেতে হবে। রাতে ভালো ঘুম না হলে সকালে ঠিকমতো নাশতা না করলে ক্লান্তি ভাব আরও বেশি ফুটে ওঠে। আমি নিজেও ক্লান্তিকে দূরে সরিয়ে রাখতে এ কাজ করি। এ ছাড়া অন্যদিনের তুলনায় একটু পরিপাটি হয়ে যাওয়া। চোখে কাজল, হালকা রঙের আইশ্যাডো ও মাশকারা ব্যবহার করলে ক্লান্তি ঢেকে যায়। পোশাক হিসেবেও উজ্জ্বল রঙকে প্রাধান্য দিতে পারেন।’
রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা বলেন, ঘুম মানুষকে সারা দিনের ক্লান্তি দূর করে পরবর্তী দিনের জন্য তৈরি হতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। যদি কোনো কারণে ঘুম না হয়, তা হলে চেহারায় ক্লান্তি ভাব ফুটে ওঠে। শুধু তা-ই নয়, ত্বকে ব্রণ, চোখের নিচে কালি পড়াসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়। এসব সমস্যা এড়ানোর জন্য ত্বকের চাই বাড়তি পরিচর্যা।
সকালে বিছানা ছাড়ার পরপরই গোসলটা সেরে নেওয়া যেতে পারে। জলকল বা শাওয়ারের নিচে চোখ বন্ধ করে খানিক সময় দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন। এতে ক্লান্তি ভাব কাটিয়ে ফুরফুরে আমেজ পাবেন।

চেহারার ক্লান্তি ভাব দূর করতে ময়দা, টমেটো, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে নিন এবং ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।




ত্বকে দুধ ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে খানিকক্ষণ ম্যাসাজ করতে পারেন। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁরা এ মিশ্রণের সঙ্গে দু-তিন ফোঁটা লেবুর রস যোগ করে নিন। ত্বকের ক্লান্তির ছাপ দূর করতে চালের গুঁড়া ও শসার রস মেশানো পেস্ট কিছু সময় লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলতে পারেন।


ঘুম না হলে যাঁদের ত্বকে ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়, তাঁরা ঘুমাতে যাওয়ার আগে শসার রস দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ব্রণের উঁচু ভাব কমাতে সকালে ব্রণযুক্ত স্থানে লবঙ্গের গুঁড়া লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। তারপর ধুয়ে নিন। দেখবেন ব্রণের উঁচু ভাব কমে গেছে।  যাঁদের ব্রণের সমস্যা বেশি, তাঁরা মেথির গুঁড়া পানিতে গুলিয়ে সারা মুখে লাগাতে পারেন। এটি ভালো পরিষ্কারকের কাজ করে। চোখের নিচে কালি পড়তে দেখলে কাঠবাদামের পেস্ট অথবা গোল আলুর রস লাগাতে পারেন। সকালের সময়টা নাশতা বানানো কিংবা নিজে তৈরি হওয়া, অন্যদের তৈরি করে দেওয়া—সব মিলিয়ে খুব ব্যস্ততায় কাটে। এ সময় একটু কৌশলে নিজের জন্য ঘরের কোণে একটি বাটিতে পানি দিয়ে তাতে রেখে দিতে পারেন একটি বেলি ফুলের মালা। শোয়ার ঘরে সবুজ লতানো দু-একটা গাছও থাকবে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ঘুমাতে যাওয়ায় চেষ্টা করুন। দুশ্চিন্তাগুলো রেখে দিন পরদিনের জন্য। ভাবতে থাকুন সুন্দর ও ইতিবাচক ভাবনা। অন্তরে ভালো লাগা তৈরি হলে ঘুমপরিরা এমনিতেই এসে ভিড় করবে আপনার চোখের পাতায়।


Saturday, 5 January 2013

ছোট-বড় পেটুকেরা


ওরা সারাক্ষণ করে খাই-খাই। কারও বা আবার প্রমাণ সাইজের খাবার দেখলে হুঁশ থাকে না। সে খাবার হোক না নিজ আয়তনের চেয়ে বড়, ঘপাৎ করে গিলে ফেলবে।
আর্জেন্টিনায় এক ধরনের ব্যাঙ পাওয়া যায়, যা আর্জেন্টাইন হর্নড ফ্রগ বলে পরিচিত। এটাকে প্যাকম্যান ফ্রগও বলে। বাংলায় বলতে পারো শিঙেল ব্যাঙ। তা যা-ই বলো না কেন, ব্যাঙটি বেজায় পেটুক। পোকামাকড় তো খায়ই, ইঁদুর বা গিরগিটি পেলেও ঝাঁপিয়ে পড়ে। এমনকি তার চেয়ে বেশ বড় কোনো প্রাণীকে চওড়া মুখ দিয়ে শিকার বানাতে পরোয়া করে না। ব্রাজিল আর উরুগুয়েতেও এই ব্যাঙের দেখা মেলে।
পেটুক বা খাদক হিসেবে খুদে শুঁয়াপোকার জুড়ি মেলে না। একটি শুঁয়াপোকা ২০ দিনেরও কম সময়ে তার ওজন ১০ হাজার গুণ বাড়াতে পারে। আর তা বাড়ায় গাছের লতাপাতা বা ছাল বাকল খেয়ে।
খুদে প্রাণীর কথা যখন এসেই গেল, বিশ্বের সবচেয়ে ছোট পাখি হামিংবার্ড আর বাদ থাকবে কেন? সাইজে ওরা এইটুকুন হলে কী হবে, খাদক হিসেবে ভয়ংকর। প্রতি ১০ মিনিট পর খাবার চাই। একটি হামিংবার্ড এক দিনে গড়ে কত খাবার খায় জানো? শরীরের মোট ওজনের দুই-তৃতীয়াংশ পরিমাণ খাবার।
মাটি আর আকাশের পেটুকদের কথা তো বলা হলো, এবার একটু পানির নিচে ঘুরে আসা যাক। টাইগার শার্ক বলে যে বাঘা হাঙর রয়েছে, দুনিয়ার কোনো খাদক ওদের সঙ্গে টক্কর দিতে পারবে না। কারণ, ওরা সামনে যা দেখে, তা-ই খায়। শিকারিরা এসব হাঙর ধরার পর পেট চিরে স্যামন মাছ বা কাছিমের মতো উপাদেয় খাবারের সঙ্গে মানুষের ব্যবহার করা বর্ম, কোট, জুতা, লাইসেন্স নম্বর বসানো ফলক, টিনের পাত্র ইত্যাদি পেয়েছেন।
তবে পানিতে বাস করা প্রাণীর মধ্যে পেটুক-রাজ হচ্ছে নীল তিমি। একটি নীল তিমি প্রতিদিন গড়ে সাড়ে তিন হাজার কেজির বেশি খাবার খেয়ে থাকে। খাবারের তালিকায় সবচেয়ে বেশি থাকে ক্রিল বলে পরিচিত এক ধরনের খুদে সামুদ্রিক প্রাণী।
রক্তচোষা নিশাচর প্রাণী বা ভ্যাম্পায়ার হিসেবে ড্রাকুলা গল্প-উপন্যাসে দাপিয়ে বেড়ালেও আসল রক্তচোষা হচ্ছে ‘ভ্যাম্পায়ার ব্যাট’। ওরা এক ধরনের বাদুড়। রক্ত ছাড়া ওদের বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। এই বাদুড় প্রতিদিন বিভিন্ন প্রাণীর শরীর থেকে নিজ ওজনের চেয়ে বেশি পরিমাণ রক্ত পান করে।
‘তাসমানিয়ান ডেভিল’ বলে অস্ট্রেলিয়ায় একটি স্তন্যপায়ী মাংসাশী প্রাণী রয়েছে। ওরা সাধারণত মৃত প্রাণী পছন্দ করে। মাত্র আধা ঘণ্টায় প্রাণীটি নিজ ওজনের ৪০ শতাংশ খাবার সাবাড় করতে পারে।






সুকণ্ঠের কোকিল


মধুর কণ্ঠে গান
সুরের কলতান
জীবন কলরব
থেমে গেছে সব।
ফকির লালন সাঁই
কণ্ঠে তোলেন হাই।

ধুলোয় ওড়া সুর
মেঘ ভেজা দুপুর
অতল নদীর জল
এখনি নিষ্ফল।
হাছন রাজা কয়
এ কী অবক্ষয়!

গানের মঞ্চে ঢং
গ্রামোফোনে জং
তবলাতে নেই তাল





সুকণ্ঠের আকাল
কোকিল গেল কই?
খোঁজ পাঠ্যবই।

মাঝির কণ্ঠে গান
জলের কলতান
সুরের কলরব
থেমে গেছে সব।
শিল্পী গেল কই
খোঁজ করো টিপসই।